অপরাধজেলা সংবাদরংপুরসারাদেশ

সুন্দর দিঘিতে নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে

পঞ্চগড় জেলা, দেবীগঞ্জ উপজেলা ৫ নং সুন্দরদীঘি ইউনিয়নে বউকে নির্যাতন করে। স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ি লোকজনের অত্যাচারে মারা যায় জন্ম নেওয়ার সময় মারা যায় এক ছেলে সন্তান।
এবং বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে বলে জানায় এলাকাবাসী আকলিমা আক্তার ঘটনার বিবরণে বলেন আমি আকলিমা আক্তার পিতা রমজান আলী ৯নং দেবীডুবা তেলীপাড়া।এবং ৫ নং সুন্দরদীঘি ইউনিয়নের ইসাহাক আলীর ছেলে ইমরান আলীর সাথে গত ১০/01/2022 ইং তারিখে ৮,৯৯,৯৯৯ /- টাকা দেনমোহরানা ধার্জ ইসলামী শরাশরিয়ত মোতাবেক বিবাহ সম্পন্ন হয়। নগদ অর্থ সহ বিভিন্ন প্রকার উপহার সহ প্রায় ৮০,০০০/- টাকার অর্থ সামগ্রী প্রদান করেন আমার মা-বাবা। বিবাহের পর শ্বশুর বাড়ি লোকজন আমাকে ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা যৌতুকের দাবী করে প্রায় সময় মারপিট সহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকে। শত কষ্ট নির্যাতন সহ্য করে সংসার করে আসিতেছি। আমার গর্ভে ০৩ মাসের সন্তান আসলে। স্বামী ও শ্বশুর বাড়ি লোকজন গর্ভে সন্তান নষ্ট করা যায় গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকেন। যাহার প্রেক্ষিতে কারণে অকারণে বলে যে, শালী যৌতুকের টাকা দিতে না পারিলে। বিয়ে করার স্বাদ মিটে দিবো।

স্বামীর বাড়ি থেকে পিতার বাড়িতে অবস্থান করি ০২/১২/২০২২ তারিখে আমার একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহন করেন। জন্মের ২ ঘণ্টা পরে মৃত্যুবাণ করেন। কারণ আমার শ্বশুর বাড়ির মারপিটের ও অন্যায় অত্যাচারের কারণে। স্বামী শ্বশুর বাড়ি লোকজন আমাকে গ্রহণ করিবে না বলে জানিয়েছেন। স্থানীয় মেম্বার চেয়ারম্যান ও লোকজন নিয়ে অনেক বার বসলেও কোনো সুরাহা হয়নি। পরে মামলা করিতে গেলে দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আদালতে মামলা করার পরামর্শ প্রদান করেন।

পরে আদালতে হাজির হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতনে দমনে (সংশোধনী/০৩) এর ১১(গ)/৩০ ধারায় মামলা করি। কিন্তুু মামলা করার ৫- ৬ দিন হয়ে গেলেও কোনো প্রকার আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এবিষয়ে আকলিমা স্বামী ইসাহাক এর সাথে কথা বললে তিনি এবিষয়ে আমাদের সাথে কোনো কথা বলবে না এবং যা বলার আদালতে বলবো।
এবিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলার অফিসার্জ ইনজার্জ জানান আমরা আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button