চট্টগ্রামজেলা সংবাদ

মামা সাকায়েতের মিথ্যাচারের শীকার ভাগিনা আবদুর রসীদ

নোয়াখালী চাটখিলে আমেরিকা প্রবাসী মামা সাকায়েতের সৌদি আরব প্রবাসী ভাগীনা রশিদ কে নিয়ে নানা মিথ্যাচারের অভিযোগে ক্ষুব্ধ তার আত্মীয়-স্বজনরা।

তার বিচার দাবী করেছেন তারা।মামা সাখায়াত তার আরেক ভাগিনাকে সৌদি আরবে নিয়ে তার সাথেও প্রতারনা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন সাখায়াতের আরেক আপন বোন।
সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে মিলেছে মামা সাকায়েতের সম্পর্কে নানা তথ্য এবং কেন সে ভাগিনা রশিদের বিরুদ্ধে মিডিয়াতে কাল্পনিক নানা মিথ্যাচার করেছে তার আসল কারন।

সাংবাদিকরা সাকায়াতের ৩ বোনের চাটখিল ও রামগঞ্জের বাড়ি এবং তার আপন বড় ভাইয়ের বাড়িতে গিয়ে কথা বলে তাদের সাথে। তারা সকলেই ভাগিনা রশিদ কে নিয়ে মামা সাকায়েতের এমন নিলজ্জ মিথ্যাচারে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

সাকায়েতের আপন ভাগিনা সৌদি আরবে যিনি এ ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী সে আব্দুর রহমান বলেছেন, রশিদ থেকে পুরো টাকা নিয়েই তার মামা সাখায়েত দোকান বিক্রি করে। সে সাথে জানালেন তার মামা রশিদ থেকে দোকান বিক্রির টাকা বুঝে পাবার পরও টাকা পাওয়ার কথা অস্বীকার করলে সৌদি আরবের সেই দোকানের সৌদিয়ান কপিল মামা সাকায়েত কে চরম মিথ্যাচারের জন্য মারধর করে। আর এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে রশিদের বিরুদ্ধে মামা এমন মিথ্যাচার করছে।

ঘটনা সত্যতা জানতে সাকায়েতের বোন এর বাড়ি রামগঞ্জের ভাটিয়াল পুর যায়, সেখানে কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে আসে সাপ। সাখায়াতের বোন আলেয়া বেগম তার বিরুদ্ধে তার সাথেও প্রতারনা করেছে বলে অভিযোগ করে জানান, সাখায়াত তার ছেলেকে ৮ লাখ টাকা নিয়ে ভাল ভিসা দেওয়ার কথা বলে সৌদি আরবের নেয়। কিন্তু সে তার আপন এই ভাগিনাকে সৌদি আরবে নিয়ে মাজরা ভিসার মত অতি কম বেতনের নিম্নমানের কাজ দিয়ে পালিয়ে যায়।
মামা সাকায়েতের প্রতারণার শিকার এই ভাগিনা আলা উদ্দিন ছিলেন সেই দোকান বিক্রির সময়ে। তিনিও জানালেন সে সময়ের ঘটনা।

চাটখিল উপজেলার বাঁশতলাতে সাংবাদিক টিম যায় সাকায়েতের আপন ভাইয়ের থেকে তথ্য জানতে। তিনিও সাকায়েতের মিথ্যাচারের কথা জানান সাংবাদিকদের। রশিদের বৃদ্ধা মা তার ছেলেকে তার ভাইয়ের এমন হেনস্তা ও অপমানের বিচার দাবি করেছেন।

স্থানীয়রা বলছেন আব্দুর রশিদ স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত পরউউপকারী এবং দানশীল। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রপাগান্ডা ছড়ানোতে তার মামা সাখায়ায়েতের উপর খেপেছে সব সজন এবং ওই এলাকার মানুষজন। তাদের দাবি এই ঘটনার সুস্থ তদন্ত করে দেরিতে হলেও মামা সাকায়েতকে বিচারের মুখোমুখি করা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button