অপরাধজেলা সংবাদরাজশাহী

পারিবারিক জেরে ছেলে হত্যা করার চেষ্টায় মায়ের মাথা ফাটিয়ে দিলো

নীলফামারী জেলা, ডোমার উপজেলা, মটুকপুর ইউনিয়ন, হাকিমুদ্দি পাড়ার। পারিবারিক জেরে মোছাঃ সাহের বানুকে মেরে ফেলার চেষ্টায় মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে ছেলে মোঃ নুরনবী (২৪)অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা যায়,মোছাঃ সাহের বানু(৪৫) স্বামী- মৃত খলিল সরকার। আনুমানিক ১৯ বছর আগে মারা গিয়েছে। দুই মেয়ে এক ছেলে কে নিয়ে বসবাস করে আসছেন। ছেলে বিয়ে করে আলাদা হয়ে যান। দুই মেয়েকে সাহের বানু মানুষের বাড়িতে কাজ করে বিয়ে দেন। সাহের বানু কে ছেলে ও ছেলের বউ কেউ দেখতে পারেন না। এনিয়ে ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকে। ২২শে ফেব্রুয়ারি সাহের বানু কে গালিগালাজ করতে এক সময় ক্ষিপ্ত হয়ে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে থাকে এবং পড়ে ঘর হতে দা দিয়ে মাথায় আঘাত করে। চেচামেচি দেখে স্থানীয় লোকজন সাহের বানু কে ডোমার উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। এবিষয়ে সাহের বানু সাথে মেডিকেল কথা বললে তিনি জানান।

আমার ছেলে সে বিবাহিত এবং ০২ সন্তানের জনক। আমরা একই বাড়ীতে বসবাস করি। আমার স্বামী অনুমান ১৯ বছর পূর্বে মারা গিয়েছে। ছেলের বিবাহের পর থেকে আমাকে দেখাশুনা করেন না। এবং আমার ভরন পোষন দেয় না। আমি তাকে একাধিকবার আমাকে ভরন পোষন দেওয়ার কথা বললে সে আমার কোথাই শুনে না। উল্টো বউয়ের কথায় গালিগালাজ করে। এবং খারাপ লোকদের সাথে চলাফেরা করে নেশা করে থাকে। আমি বিষয়টি স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের অবহিত করলে। আমার ছেলে আমাকে বিভিন্ন অশ্রীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারপিটসহ বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতির হুমকি প্রদর্শন করতে থাকে। ২২শে ফেব্রুয়ারি আনুমানিক দুপুরের সময় আমার ছেলে মোঃ নুরনবী পারিবারিক বিষয় নিয়া আমার বাড়ীতে অকারণে আমাকে উদ্দেশ্য করিয়া বিভিন্ন অশ্রীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আমি গালিগালাজের প্রতিবাদ করিলে মোঃ নুরনবী আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে। এলোপাথারীভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এবং আমার মাথায় দা দিয়ে জখম করে। মারপিটের ফলে আমি মাটিতে পরে গেলে।আমাকে টেনে হেচড়ে করে বাড়ী থাকে বের করে বাহির করিয়া দেয়। বাড়ীর টিনের বেড়াচাটি, রান্নাঘর, ঘরের দরজা ভাংচুর করে। পরে স্থানীয় লোকজন আমাকে রক্ষা করে সহযোগীতায় অপরিচিত অটো করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দিয়া গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়া নেন। আমার মেয়ে বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গদেরসহ আমার নিকটতম প্রতিবেশীকে অবহিত করিলে তাহারা আমাকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। আমার মেয়ে আমার হয়ে ডোমার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

স্থানীয় মেম্বার চেয়ারম্যান এর সাথে কথা বললে বলেন ছেলেটা আসলে ভালো না শুনেছি নেশা আসক্ত তার মায়ের উপর নির্যাতন করে। এবার আমাদের কাছে অভিযোগ আছে আমরা প্রশাসনের সহযোগিতায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button