নৈর্ব্যক্তিক

আমার পথ প্রবন্ধের mcq

আমার পথ প্রবন্ধের mcq: আমার পথ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রুদ্র মঙ্গল’ কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত করা হয়েছে। আমার পথ প্রবন্ধে নজরুল এমন একজন আমির প্রত্যাশা করেছেন যার পথ সত্যের পথ, যে সত্য প্রকাশের নির্ভীক, অসংকোচ। কাজী নজরুল ইসলাম আমার পথ প্রবন্ধে দেখিয়েছেন যে, তিনি ভুল করতে রাজি আছেন কিন্তু ভন্ডামি করতে রাজি নন। ভুল জেনেও ভুলকে ঠিক বলে চালিয়ে দিতে বা কপাটতা করা তার দৃষ্টিতে ভন্ডামী। এই ভুল হতে পারে ব্যক্তির অথবা সমাজের অথবা রাষ্ট্রের। তবে যারই ভুল হোক না কেন ভুল থেকে বেরিয়ে আসা নজরুলের প্রত্যাশা।
আমার পথ প্রবন্ধের mcq

আমার পথ প্রবন্ধের mcq সার্চ করে থাকেন অনেকে। যারা আমার পথ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর পড়বেন তাদের জন্য আগে আমার পথ প্রবন্ধের mcq জেনে নেওয়া উত্তম। আমার পথ প্রবন্ধের মূল কথা হলো মানুষের উপর নির্ভর করা যাবে না। নিজের উপর আস্থা ও বিশ্বাস রাখতে হবে।

আমার পথ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন পড়ার আগে mcq পড়লে সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হবে। তাই আমরা এখন আমার পথ প্রবন্ধের mcq পড়বো। Mcq প্রশ্নে চারটি অপশন থাকলেও আমরা আমার পথ প্রবন্ধের জ্ঞানমূলক প্রশ্নের মত করে আমার পথ প্রবন্ধের mcq পড়বো।

আমার পথ প্রবন্ধের mcq 

১। ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে লেখক কাকে সালাম জানিয়েছেন?
উত্তর : ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে লেখক তাঁর সত্যকে সালাম জানিয়েছেন।
 ২। ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে ‘আমার পথ’ আমাকে কী দেখাবে?
উত্তর : ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে ‘আমার পথ’ আমাকে আমার সত্য দেখাবে ।
 ৩। ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে টি কোন প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে নেওয়া
হয়েছে?
উত্তর : ‘আমার পথ’ প্রবন্ধকটি ‘রুদ্র-মঙ্গল’ গ্রন্থ থেকে নেওয়া
হয়েছে।
৪। কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি পল্টনে যোগ
দেন?
উত্তর : ১৯১৭ সালে কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি পল্টনে যোগ দেন।
৫। কাজী নজরুল ইসলাম কত বছর বয়সে দুরারোগ্য
ব্যাধিতে আক্রান্ত হন?
উত্তর : কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র তেতাল্লিশ বছর বয়সে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন।
৬। কাজী নজরুল ইসলামের মতে কাদের পক্ষে কেবল অসাধ্য সাধন করা সম্ভব? 
উত্তর : কাজী নজরুল ইসলামের মতে যারা নিজের সত্যকে বড় মনে করে মনে একটা ‘ডোন্ট কেয়ার’ ভাব আনে, তাদের পক্ষে কেবল অসাধ্য সাধন করা সম্ভব।
৭। সবচেয়ে বড় ধর্ম কী?
উত্তর : সবচেয়ে বড় ধর্ম মানবধর্ম।
৮। ‘কুহেলিকা’ কোন ধরনের রচনা?
উত্তর : “কুহেলিকা’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস ।
৯। ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়ে কী পাওয়া যায়?
উত্তর : ভুলের মধ্য দিয়ে গিয়ে সত্যকে পাওয়া যায়।
১০। ‘আগুনের ঝান্ডা’ শব্দটির অর্থ কী?
১১। ‘বাঁধনহারা’ নজরুলের কী জাতীয় রচনা?
উত্তর : ‘বাঁধনহারা’ কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
১২। স্বাবলম্বন বা নিজের ওপর বিশ্বাস করতে কে শেখাচ্ছিলেন?
উত্তর : মহাত্মা গান্ধী
১৩। লেখক কখনো কাকে প্রশ্রয় দেবেন না?
উত্তর : লেখক কখনো মিথ্যা বা ভণ্ডামিকে প্রশ্রয় দেবেন না।
১৪। মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে কোনটি অনেক-অনেক ভালো?
উত্তর : অহংকারের পৌরুষ।
১৫। কোনটি লেখককে বিপথে নিয়ে যেতে পারবে না?
উত্তর : রাজভয়-লোকভয় লেখককে বিপথে নিয়ে যেতে পারবে না ।
১৬। কোনটি মানুষকে ক্রমেই ছোট করে ফেলে? উত্তর : অতিরিক্ত বিনয় মানুষকে ক্রমেই ছোট করে ফেলে ।
১৭। কী প্রাণ খুলে স্বীকার করে নেওয়া উচিত?
উত্তর : নিজের ভুলকে প্রাণ খুলে স্বীকার করে নেওয়া উচিত।

আমার পথ প্রবন্ধের mcq ব্যাখ্যা

১। “যার ভেতরে ভয়, সেই বাইরে ভয় পায়।”- ব্যাখ্যা কর।
উত্তর : “যার ভেতরে ভয়, সেই বাইরে ভয় পায়।”— কথাটি দ্বারা, যার হৃদয়ে ভয় আছে সে যে বাইরেও ভয় অনুভব করে তা বোঝানো হয়েছে। মানবহৃদয়ে সত্য না থাকলে মিথ্যা এসে বাসা বাঁধে। মানুষ যদি মনে সত্যকে ধারণ করতে না পারে তবে মিথ্যা তাকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যায়। মিথ্যা মানুষের জন্য সমস্যা-সংকট ও ভয় ডেকে আনে। মানবহৃদয়ের এই দুর্বলতার কারণেই মানুষ বাইরের সবকিছুকে ভয় পায়। উল্লিখিত বাক্য দ্বারা লেখক এটাই বুঝিয়েছেন।
২। “আত্মাকে চিনলেই আত্মনির্ভরতা আসে।” ব্যাখ্যা – কর।

উত্তর :
সত্যকে জানা ও আত্মশক্তির বিকাশের মাধ্যমে আত্মনির্ভরতা অর্জনের বিষয়টি বোঝাতে লেখক প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।
অন্যের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকাকে বলা হয় পরনির্ভরতা। যার নিজের শক্তির ওপর বিশ্বাস নেই, যে আত্মশক্তি ও সত্যকে জানে না সেই পরনির্ভর। নিজের সত্যকে না জানলে আত্মনির্ভরতা অর্জন করা যায় না। তাই পরনির্ভরশীলতাকে বর্জন করতে হলে নিজের সত্যকে জানতে হবে, নিজের শক্তির ওপর আস্থা স্থাপন করতে হবে। আর তা হলেই মানুষ আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবে। আর এভাবেই আত্মনির্ভরতা আসে। প্রশ্নোক্ত কথাটির মাধ্যমে লেখক এই বিষয়টিই তুলে ধরেছেন।
৩। কাজী নজরুল ইসলাম ‘আমার সত্য’ বলতে কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর : কাজী নজরুল ইসলাম ‘আমার সত্য’ বলতে পরাবলম্বন ও দাসত্ব পরিহার করে নিজের আমিত্ব শক্তির দিকে ইঙ্গিত করেছেন।
মানুষ তাদের আলস্য, কর্মবিমুখতা ও পরাবলম্বনের কারণে পিছিয়ে পড়েছে। তাদের অন্তর গোলামি ও দাসত্বের ভাব। কিন্তু তারা যদি আপন সত্যকে জানে তাহলে তারা তাদের হারানো গৌরব ও মর্যাদা ফিরে পাবে। তাই নিজের সত্তাকে জাগিয়ে তুলতে দাসত্ব ও গোলামি দূর করতে নিজের শক্তি ও নিজের সত্যর ওপর অটুট বিশ্বাস রাখতে হবে। আর পরাধীনতা, দাসবৃত্তি থেকে মুক্ত হয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার উপায় হচ্ছে অন্তর্নিহিত সত্যকে অনুধাবন করা। ‘আমার সত্য’ বলতে লেখক এই অনুধাবন শক্তিকেই বুঝিয়েছেন।
৪। “মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম’ – বুঝিয়ে লেখ।
অথবা, মানুষ-ধর্মকে সবচেয়ে বড় ধর্ম বলা হয় কেন?

উত্তর : ‘মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম’ বলতে লেখক বুঝিয়েছেন যে, মানুষের সঙ্গে মানুষের আত্মিক সম্পর্কই সবচেয়ে বড় সত্য, আত্মিক বন্ধন-সম্প্রীতিই বড় ধর্ম ।
ধর্মীয় বিভেদ ভুলে গিয়ে লেখক সমগ্র মানবজাতিকে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন। ধর্মীয় বিভেদ মানুষের সঙ্গে মানুষের মেলবন্ধনের প্রধান অন্তরায়। মানুষের মনুষ্যত্ববোধ জাগ্রত হলেই ধর্মের সত্য উন্মোচিত হবে। মানুষ হিসেবে মানুষকে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা-সম্মান করাই মানবধর্মের মূলমন্ত্র। সমাজে মানবধর্ম প্রতিষ্ঠিত হলে শান্তি ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত হবে। সাম্প্রদায়িক বিভেদ দূর হবে। মানুষ হিসেবে আমরা সবাই রক্ত-মাংসে গড়া, সবাই একই স্রষ্টার সৃষ্টি।” এজন্যই লেখক বলেছেন, ‘মানুষ-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম।
৫। ‘আগুনের সম্মার্জনা’ বলতে ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে কী
বোঝানো হয়েছে?

উত্তর : ‘আগুনের সম্মার্জনা’ বলতে ‘আমার পথ’ প্রবন্ধে সমাজে অসত্যরূপী আবর্জনা দূর করার জন্য লেখকের সত্যের শক্তি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তার বিদ্রোহী সত্তাকে বোঝানো হয়েছে।
আগুন সবকিছু পুড়িয়ে শুদ্ধ করে। এটাই আগুনের ধর্ম । দেশের যারা শত্রু, দেশের যা কিছু মিথ্যা, ভণ্ডামি, মেকি তা দূর করার জন্য লেখক আগুনের সম্মার্জনা ব্যবহার করতে চেয়েছেন । কারণ তিনি বিশ্বাস করেন যে, এর মাধ্যমেই সবকিছু শুদ্ধ হয়ে এক নতুন রূপ লাভ করবে।
৬। “আমি সে দাসত্ব হতে সম্পূর্ণ মুক্ত”— বলতে কী
বোঝানো হয়েছে?

উত্তর : “আমি সে দাসত্ব হতে সম্পূর্ণ মুক্ত।”— উক্তিটিতে অপরের মুখাপেক্ষী হয়ে আপন সত্যকে অস্বীকার করার যে দাসত্ব, প্রবন্ধকার সেই দাসত্বকে বুঝিয়েছেন
লেখকের মতে নিজের শক্তিতে যার বিশ্বাস নেই, আস্থা নেই, সে-ই অপরের কাছে মাথা নত করে। নিজের ব্যক্তিসত্তাকে বিসর্জন দিয়ে সে স্বীকার করে অপরের দাসত্ব । আর যার নিজের ওপর বিশ্বাস আছে সে কখনো অপরের ইচ্ছাধীন চলে না, ভণ্ডামিকে প্রশ্রয় দেয় না। এ বিষয়টিই প্রশ্নোক্ত বাক্যে প্রকাশিত হয়েছে 
৭। ‘অভিশাপ-রথের সারথি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর : ‘অভিশাপ রথের সারথি বলতে সমাজের অনিয়ম ভেঙে
ফেলতে লেখকের অবস্থানের দিকটি বোঝানো হয়েছে।
সমাজে প্রচলিত, পুরনো নিয়মকে ভেঙে নতুনকে প্রতিষ্ঠা করা সহজ কাজ নয়। এতে প্রতিনিয়ত সমাজরক্ষকদের অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হতে হয়। নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়, অভিশাপ পেতে হয়। এসব জেনেও নজরুল তাঁর বিশ্বাসকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন। সব অন্যায়-অবিচার আর অনিয়মের বিরুদ্ধে তিনি অভিশাপ হয়ে আবির্ভূত হয়েছেন এবং নিজেই রথচালকের আসনে বসে অভিশাপ রথের সারথি হয়েছেন।
৮। এই পরাবলম্বনই আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেলে’
বিশ্লেষণ কর।

উত্তর : পরের ওপর অবলম্বন করলেই জীবনে নেমে আসে দাসত্ব।
সততা মানুষকে সাহসী করে তোলে। যে ব্যক্তি সত্য কথা বলতে পারে তার মনে সর্বদা শক্তি বিরাজ করে। সে অন্য কারও কাছে মাথা নত করে না। আর যখন মানুষ সত্যকে গোপন করে তখন সে হয়ে পড়ে দুর্বল। নিজের মনের শক্তি হারিয়ে সে অন্যের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে। অন্যের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকা বা মরে যাওয়া একই কথা। নিজস্ব কোনো আধিপত্য সেখানে খুঁজে পাওয়া যায় না। আর সেজন্যই বলা হয়েছে, ‘এই পরালম্বনই আমাদের নিষ্ক্রিয় করে ফেলে।
৯। ‘ও রকম বিনয়ের চেয়ে অহংকারের পৌরুষ অনেক অনেক ভালো’- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : নিজের সত্যকে অস্বীকার করে অতিরিক্ত বিনয় প্রদর্শনের চেয়ে আত্মবিশ্বাস ও সততায় বলিষ্ঠ হয়ে আপন পৌরুষ জাহির করা অনেক ভালো।
অতিরিক্ত বিনয় দুর্বলতার নামান্তর; তার চেয়ে নিজেকে চিনে আপনার সত্যকে আপনার গুরু, পথপ্রদর্শক, কাণ্ডারি বলে জানা ঢের ভালো। কেউ কেউ এটাকে অহংকার বলে মনে করতে পারে। প্রাবন্ধিকের মতে, আত্মবিশ্বাসের এই অহংকারকে পৌরুষের অহংকার বলাই সংগত। মিথ্যা বিনয়ের চেয়ে এই পৌরুষের অহংকার বহুগুণ ভালো।
১০। “যে নিজের ধর্মের সত্যকে চিনেছে, সে কখনো অন্য ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।”- ব্যাখ্যা কর।

উত্তর : আলোচ্য উক্তিটির দ্বারা লেখক সাম্প্রদায়িকতার প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
লেখক অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী। হিন্দু-মুসলমানের মিলনের অন্তরায় কোথায় তা দেখিয়ে দেওয়া এবং সব জটিলতা দূর করাই তাঁর উদ্দেশ্য। মানুষে মানুষে যেখানে প্রাণের মিল, সত্যের মিল থাকে সেখানে কোনো ধর্মের বৈষম্য বা হিংসার ভাব থাকতে পারে না।
দেশের পক্ষে যা ভালো বা সত্য তা লক্ষ্য করেই লেখকের এ
যাত্রা। তাঁর বিশ্বাস, যার নিজের ধর্মের ওপর বিশ্বাস আছে, যে নিজের সত্যকে চিনেছে, সে অন্যের ধর্মকে ঘৃণা করতে পারে না।
১১। নিজের শক্তির ওপর অটুট বিশ্বাস আসে কীভাবে?

উত্তর : নিজকে প্রকৃতরূপে চিনলে, নিজের সত্যকে কর্ণধার বলে
মানলে নিজের শক্তির ওপর প্রবল বিশ্বাস আসে।
নিজের ওপর বিশ্বাস বা স্বাবলম্বনের পথপ্রদর্শক ছিলেন মহাত্ম গান্ধী। তবে শেষ পর্যন্ত আমরা তার কথা না বুঝে, “আমি আছি’- এ কথার পরিবর্তে সবাই ‘গান্ধীজী আছেন। এরূপ বলতে শুরু করেছিলাম। অথচ নিজের শক্তির ওপর বিশ্বাস স্থাপন করতে হলে আমাদের প্রত্যেকের সর্বপ্রথম যেটা করণীয় তা হলো- ‘নিজেকে চেনা বা আত্মনির্ভরশীল হওয়া’।
১২। প্রাবন্ধিকের মতে সত্যকে কীভাবে পাওয়া যায়?

উত্তর : লেখকের মতে, একমাত্র ভুলের মধ্য দিয়েই প্রকৃত সত্যকে পাওয়া যায় ।
ভুল বুঝতে পারা মাত্রই প্রাণখুলে সেটাকে স্বীকার করে নেওয়া উচিত। তবে তা না বুঝে নয় বা ভয়ে নয়। জেনে, বুঝে ভুলকে কখনো ধরে রাখা উচিত নয়। তাই লেখক সত্য আবিষ্কারে ভুলের বা মিথ্যার কাছ থেকে শিক্ষা নিতে রাজি আছেন।

Related Articles

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button